গেল এপ্রিল মাসজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ আর বিদ্যুতের আকাশচুম্বী চাহিদার মধ্যে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। রোববার (৩ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রকল্পটির উপব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম। তিনি জানান, তীব্র দাবদাহের মধ্যে এপ্রিল মাসজুড়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়ে ৮০ শতাংশ প্ল্যাট লোড ফ্যাক্টর বা সক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে যখন তাপপ্রবাহের কারণে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ৯৭ শতাংশ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে মাইলফলক স্পর্শ করেছে। যা দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ৯ শতাংশের বেশি সরবরাহ করছে। এ কর্মকর্তার দাবি, প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং অত্যাধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি সমৃদ্ধ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উচ্চ দক্ষতা এবং পরিবেশের ওপর ন্যুনতম প্রভাব নিশ্চিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত ফ্লু গ্যাস ডি- সাল ফারা ইনজেকশন প্রযুক্তি। এতে করে প্রচলিত পরিবেশ মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলে এবং শিল্প ও আবাসিক খাতের জন্য নিরবিচ্ছিন্ন বেসলোড পাওয়ায় নিশ্চিত করা হয়েছে। বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত বাংলাদেশ- ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ায় কোম্পানি লিমিটেডের মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট। এটি ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এবং সুন্দরবন থেকে ১৪ কিমি দূরে অবস্থিত।


